বীরসিংহ: পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান

Birth Place of Pandit Iswarchandra Vidyasagar

ঘাটাল ব্লকের বীরসিংহ গ্রামে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম। ওই গ্রামেই বিদ্যাসাগর ও তাঁর কাজের উপর একটি সংগ্রহশালা রয়েছে. এটি সপ্তাহের সবদিনই খোলা থাকে।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ক্ষীরপাই (ঘাটাল হয়ে) সড়কের সিংহডাঙ্গা বাসস্টপে নামতে হবে। (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে সিংহডাঙ্গার দূরত্ব ৪৪ কিলোমিটার)। সিংহডাঙ্গা বাসস্টপ থেকে বীরসিংহ যাবার বাস ধরতে হবে (৫ কিলোমিটার)। এই রুটে বাসের যাতায়াত খুবই কম।

যোগাযোগ:(বীরসিংহ লাইব্রেরি) ০৩২২৫২৬২৬২৫; অরুণ মুখোপাধ্যায় (সমাজসেবী): ৯৯৩২৩৫৫৪১৭/০৩২২৫২৬২৫২১।


ঘাটাল: ভাসাপুল

১৮৫০ সালে মি: ওয়াটসন নামের একজন ব্রিটিশ বণিক ভাসাপুলটি তৈরি করেন। ভাসাপুলটির প্রধান আকর্ষণ হল এটি সারিবদ্ধ কতগুলি নৌকোর উপর  ভাসমান একটি পুল। পুলটির কাঠামোটি কতগুলি কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি হয়েছে। গোটা ভারতবর্ষে এই ধরনের পুল খুব কমই দেখা যায়। মি: ওয়াটসন এই ভাসাপুলটি তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য  তৈরি  করেছিলেন। তাই এটিতে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু ১৯০৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বরের বেঙ্গল ফেরি অ্যাক্টেএটি সাধারণ মানুষজনদের যাতায়াতের জন্য মুক্ত করে দেওয়া হয়। ওই ভাসাপুলটি ঘাটালের অনেকগুলি আশ্চর্যের মধ্যে একটি।

•পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়ক অনুসরণ করে ঘাটাল সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে ঘাটালের দূরত্ব  ৩৩ কিলোমিটার)। এরপর ২০০ মিটার পূর্বদিকে যেতে হবে।

•যোগাযোগ: (ঘাটাল পৌরসভা) ০৩২২৫২৫৫০৫৯; তপন গুঁই (সমাজকর্মী): ৯৪৩৩৪২৯৫০০; দীপক ঘোষাল  (সমাজকর্মী): ৯৬৭৯৩০৩৭৫৮।


ঘাটালের প্রাচীন সূর্য ঘড়ি

ঘাটাল মহকুমার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন সূর্যঘড়ি। সম্ভবত ১৮১৭ সালে ওই ঘড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সূর্যের আলোর মাধ্যমে সময় নির্দেশ করে। দাসপুর-২ ব্লকের খানজাপুর হাইস্কুল সংলগ্ন পাল পুকুরের পাড়ে দেখতে পাওয়া যাবে ওই দর্শনীয় বস্তুটি। (১) ঘাটাল-রানিচক পিচ রাস্তা, (২) বেলিয়াঘাটা বাসস্টপ থেকে কামালপুর হয়ে কিম্বা (৩) দাসপুর থেকে ভরতপুর দুবরাজপুর কামালপুর হয়েও যাওয়া যায়। প্রশান্তকুমার পাল ওই গ্রামেই জন্মে ছিলেন। তিনি পেশায় ছিলেন ওড়িশা ও বিহারের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ার। তাঁরই অসাধারণ কীর্তি পাথর নির্মিত ওই সূর্য ঘড়ি। ভোর ৫টা৪০ থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ওই ঘড়িটি সূর্যের আলো দ্বারা সময় নির্দেশ করে। ছবির ঘড়িতে উঁচু ফলকের ছায়া সময় নির্দেশ করে। শোনা যায় একসময় ঘড়িটিকে চুরি করে নিয়ে যাবার পথে দুষ্কৃতীরা অজানা কারণে পার্শ্ববর্তী মাঠে ফেলে রেখে গিয়েছিল। পরবর্তী সময় স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এটিকে খোলা জায়গায় না রেখে লোহার ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছে। তবে ওই ঐতিহাসিক ও অনন্য শিল্প কীর্তিটি দেখার জন্য মূল রাস্তা থেকে পুকুরের পাড় পর্যন্ত রাস্তাটি অত্যন্ত সংকীর্ণ চলাচলের অনুপযুক্ত।• তথ্য পুলক রায় (প্রাবন্ধিক)।

•পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের বেলিয়াঘাটা কিম্বা ঘাটাল শহরের   বাসস্টপে নেমে পূর্ব দিকে খানজাপুর। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার। টোটোতে করে যাওয়া যেতে পারে।

• যোগাযোগ: দীপক কর্মকার:৯৯৩৩১৩৬৯৬৯   • অরবিন্দ মাজি: ৯৯৩২৯৭৩৮১


ঘাটাল: সৎসঙ্গ বিহার 

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র (১৮৮৮-১৯৬৯) সৎসঙ্গ নামের আশ্রমটির প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে গোটা বিশ্বে পরিচিত। ঘাটাল টাউনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুশপাতায় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের অনেকগুলি মন্দির রয়েছে। শিলাবতী নদীর তীরের ওই   মন্দিরগুলিতে মনোরম আশ্রমিক পরিবেশ রয়েছে। সৎসঙ্গ বিহারের পাশে শিশুউদ্যানটি ছোটছোট ছেলেমেয়েদের খুব পছন্দের খেলাধুলার জায়গা।

পথনির্দেশ:  পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়ক অনুসরণ করে   ঘাটাল সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে যার দূরত্ব  ৩৩ কিলোমিটার)। এরপর দেড় কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বদিকে যেতে হবে।

যোগাযোগ: অফিস: ০৩২২৫২৪৪৪০১; আশ্রম-ইন-চার্জ: ব্রজগোপাল গুরু: ৯৪৩৪০১৭০২৫; সুব্রত সামন্ত (আশ্রমিক): ৯৯৩৩৭২৭৫৪৬


ঘাটাল: আলমগঞ্জ যুগ্ম মসজিদ

জুমনি বিবি ১২৬৫ সালে ঘাটালে একটি বড় ইটের মসজিদ তৈরি করেন। ওই মসজিদটির তিনটি গম্বুজ আছে এবং এছাড়াও রয়েছে বেশকয়েকটি মিনার। ওখানকার বাসিন্দারা বর্তমানে স্থানীয় মানুষজনদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটি চালান।  

পথনির্দেশ:  পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের   ঘাটাল সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে যার দূরত্ব  ৩৩ কিলোমিটার)।  এরপর ৩৫০ কিলোমিটার উত্তরদিকে গেলে ওই মসজিদে পৌঁছানো যাবে।

যোগাযোগ: আলমগঞ্জ আলজাদীদ কমিউনিটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (লোকসম্প্রদায় কল্যাণ সমিতি): ৯৯৩৩০০৮৮৩৩/৯৯৩২৪৮৩১৭৪ 


খেপুত:প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

খেপুত হল ঘাটালের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। জায়গাটি রূপনারায়ণ নদের কিছুটা পশ্চিমে অবস্থিত (ব্লক দাসপুর-২, গোপীগঞ্জের সামনে)।' ফিঙে রাজার দাঙ্গা' নামের একটি বড় টিলা সেখানে দেখা যায়। হয়তো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক হস্তনির্মিত নিদর্শন টিলাটির গভীরে নিহিত রয়েছে। ওখানে বেশকিছু প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার ছাড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। যেমন: বিষ্ণু মূর্তি, বুদ্ধ মূর্তি ইত্যাদি।ওই ঐতিহাসিক স্থানটির আরও যত্ন, অনুসন্ধান ও খননের প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করছেন।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের প্রথমে সুলতাননগরে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে যার দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার)। ওখান থেকে গোপীগঞ্জ তথা খেপুত (১৩ কিলোমিটার)। ওখানে যাবার জন্য সুলতাননগরে প্রচুর পরিমাণ বাসও অটো-ট্রেকার মিলবে। 

যোগাযোগ: তপন দত্ত (সমাজসেবী): ৯৭৩২৬৯৮৪৬৬; হাসিনূর রহমান (সমাজসেবী): ৯৭৩২৭৪৭৪০৪  


নাড়াজোল: রাজবাড়ি

একসময় যেটি খান রাজার বাসভবন ছিল সেই নাড়াজোল এখন ঘাটালের একটি জীর্ণ প্রাসাদ। নাড়াজোল তার সুবর্ণ যুগে একটি জমকালো  রাজ্য ছিল যা বহু দূর-দূরান্তের মানুষের কাছেও পরিচিত ছিল। সেই সময়কার আটচালার মতো মন্দির গুলিতে এখনও কোনও জীর্ণতার ছোঁয়া লাগেনি। এখানের কিছু বিখ্যাত নির্মাণ হল গোবিন্দ জিউ এর ‘নবরত্ন’, রাজা মোহনলাল খানের তৈরি ‘সীতারামের মন্দির’(১৮১৯), হরিনাজিয়ারার ‘শিব মন্দির’। '‘জলহরি’ হল ওখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপত্য। এটি একটি  বড় পুষ্করিনীর মাঝে তৈরি এক  বিশেষ স্থাপত্য।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের বকুলতলা বাসস্টপে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে যার  দূরত্ব ২৮ কিলোমিটার)।  তারপর নাড়াজোল যাবার বাস ধরতে হবে(১৫ কিলোমিটার)।

যোগাযোগ: সন্দীপ খান (রাজপরিবারের সদস্য): ৯৭৩৩৬২১৪৯৫; দেবাশিস ভট্টাচার্য (সমাজকর্মী): ৯৭৩৫৩১২৪৭১। 


চন্দ্রকোণা টাউনের রাজবাড়ি

চন্দ্রকোণা একসময় ভান রাজবংশের রাজধানী ছিল। সেই সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টেরাকোটার স্থাপত্য এবং প্রাকৃতিক ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা এখনও সেখানে দেখা  যায়। ওই এলাকার কতগুলি বিখ্যাত মন্দির হল: মালেশ্বরের 'পঞ্চরত্ন মন্দির', 'আটচালার' আদলে তৈরি মন্দির, দক্ষিণ বাজারে 'জয়-বাংলা' আদলের মন্দির। এখানে অনেকগুলি অসাধারণ দূর্গ ছিল। যেমন-'রামগড়', 'লালগড়', 'রঘুনাথগড়'। কিন্তু এখন তাদের খুব কমই চিহ্ন রয়েছে।   পোড়ামাটির মূর্তিগুলি ওই এলাকায় বেশ জনপ্রিয়।ওই অঞ্চলটির পুরানো  শৌর্য পুনরায় ফিরে পেতে এর  পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও খ্যাতি প্রয়োজন।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া- চন্দ্রকোণা (ঘাটাল হয়ে) সড়কের চন্দ্রকোণা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে (পাঁশকুড়া রেল স্টেশন থেকে যার  দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার)।

যোগাযোগ: গোবিন্দ দাস (সমাজকর্মী): ৯৯৩২৬৯১৪৭৫; বিমল দাস: (সমাজকর্মী): ৯৯৩২৭৮৪৮০৯


Khirpai: Factories & Temples

Khirpai was a populous town around 18th century for the European factories of cotton and silks. The ruins can now be seen at Khirpai and Kashiganj and Nildanga. Like other place at that time, there was some popular temples in this area too. Few of them are, “Panchatantra” temple of Radhadamodar (Near Ghatal-Chandrakona Road), “Atchala” temples at Kadamkundi, Khirpai hattala and Gangadaspur. A famous large tank is in the south eastern area. The neglected temples require immediate preservation. Route: Panskura-Chandrakona SH-4, via Ghatal. Get down at Khirpai Town (37 km away from Panskura Railway Station).

Contact: Tanup Ghosh (Social Worker): 9732784129; Aloke Kr Ghosh (Social Worker): 9732779785


Jara: Jamidar Estate

Jara was a flourishing place at 18th Century when Jamidars of the Roy family settled here. The Jamidar-house and their surrounding can be seen here. Several Mahals and underground drainage was built then. A large tank was used by the ladies of “Andar Mahal”. “Bhubaneswara” and “Banka- Roy” were two famous temples, built on 1824 A.D. Umapati Siva temple was founded in 1866. Jarah is kept immortal in songs sung by two Kaviyals, Jaya Dhopa and Haribol Das in occasion of Sitala Puja at Babupara in 1869 A.D. Route: Panskura-Chandrakona SH-4, via Ghatal & Khirpai. Get down at Jara Bus Stop (43 km away from Panskura Railway Station).

Contact: Rohininath Mongal (Columnist): 9831172155/ 03225269021; Tara Paul (Social Worker): 9775590486


ঘাটাল: রাধাগোবিন্দজিউয়ের মন্দির

ঘাটাল শহরের ( ওর্য়াড নম্বর-১৭, কুশপাতা) বেলপুকুরে কৃষ্ণ ভক্তদের জন্য রাধাগোবিন্দ জিউ মন্দির নামের একটি 'মঠ' রয়েছে। এই মন্দিরটি আচার্য শ্রীলা ভক্তি স্বরূপ তীর্থ গোস্বামী মহারাজের তৈরি  'গৌড়িয় বৈষ্ণব অ্যাসোসিয়েশনের একটি শাখা।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের কুশপাতা বাসস্টপে নেমে পূর্ব দিকে আধ কিলোমিটার। টোটাতে করেও যাওয়া যেতে পারে।

•যোগাযোগ: দেবকীনন্দন দাস (সেন্টার -ইন-চার্জ ): ৯৬০৯৩১৩০৪৩/৯৯৩৩৯৫২৮২০।


নিমতলা: ব্রিটিশ চিমনি

উনিশ শতকের কাছাকাছি সময়ে ব্রিটিশ বণিকরা নীলকুঠির চিমনি তৈরি করেছিল। এটি নীল তৈরির কাজে ব্যবহার করা হত। শিলাবতী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে এই ৬০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট চিমনিটির ধ্বংসাবশেষ এখনও দেখতে পাওয়া যায়।   এটি ঘাটাল ব্রিজ থেকে দক্ষিণদিকে তিন কিলোমিটার দূরে। 

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের নিমতলা বাসস্টপে নেমে পশ্চিম দিকে দেড় কিলোমিটার। টোটাতে করেও যাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে ঘাটাল শহরের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে নেমে টোটোয় করেও যাওয়া যায়।

•যোগাযোগ: বাবলুকুমার দাস -৯৪৩৪৪২৭৩০৯


গৌরা গোবিন্দনগরের মন্দির

গোবিন্দনগর গ্রামটি গৌরা বাসস্টপ থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রাধাগোবিন্দ ও রাধারামের 'পঞ্চরত্ন' মন্দিরের জন্য এই স্থান টি বিখ্যাত।  মন্দিরের পোড়ামাটি এবং টেরাকোটা কাজ দর্শনার্থীদের ভালো লাগবে।

পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের গৌরা বাসস্টপে নেমে পশ্চিম দিকে আধ কিলোমিটার। টোটাতে করেও যাওয়া যেতে পারে।

•যোগাযোগ: অজিত গোস্বামী ৯৪৩৪৮৯৬২২১


খেপুতের খেপুতেশ্বরী মন্দির

গোপীগঞ্জ থেকে এক কিলোমিটার দূরে খেপুত গ্রাম। এখানে বহু প্রাচীন একটি মন্দির রয়েছে, নাম খেপুতেশ্বরী।  মন্দিরটি ১৭৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরের গায়ে পোড়ামাটি ও টেরাকোটার কাজ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। ওই মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য বহু দূর দূর থেকে প্রতিদিন দর্শনার্থীরা আসেন। 

•পথনির্দেশ: পাঁশকুড়া-ঘাটাল সড়কের সুলতাননগর  বাসস্টপে নেমে পূর্ব দিকে গোপীগঞ্জ রোড অনুসরণ করতে হবে। সুলতাননগর থেকে খেপুত প্রায় ১৫ কিলোমিটার। 

• যোগাযোগ: তপন দত্ত (সমাজকর্মী):৯৭৩২৬৯৮৪৬৬ /   সৈয়দ আনসার-উদ আলাম (সমাজ কর্মী): ৯৭৩২৫১৮০২০/৯৪৩৪৩০০২৯১