এই মুহূর্তে ক্রীড়া/অনুষ্ঠান অন্যান্য সাহিত্য সম্পাদকীয় নোটিশবোর্ড

E-Paper

কেওয়াইসির নামে জোর করে জিনিস গছানোর অভিযোগ, গ্যাস এজেন্সির সামনে বিক্ষোভ চন্দ্রকোণায়

Published on: August 13, 2026 । 3:56 PM

সৌমেন মিশ্র, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: কেওয়াইসি আপডেট করাতে গিয়ে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও গ্যাসের পাইপ কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠল একটি গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ওই এজেন্সির সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রাহকরা। অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে কেওয়াইসি জমা দিতে গেলে গ্রাহকদের জোর করে বাড়তি সামগ্রী কেনানো হচ্ছে। এই সামগ্রী না কিনলে গ্যাস সংযোগ কেটে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি গ্রাহকদের। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ এজেন্সির কর্ণধার নিমাই মাজি। তিনি জানান, কাউকে জোর করা হয়নি, শুধু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা অনিন্দ্য গোস্বামী, পলাশ মালিক প্রমুখের অভিযোগ, কেওয়াইসির নামে ওভেনের পাইপ-সহ অন্যান্য সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকদের কাছে ১২০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রাহকদের কাছে ৮০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এক গ্রাহক জানান, আগেই কেওয়াইসি করা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ৬৭০ টাকা দিয়ে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও পাইপ কিনতে বাধ্য করা হয়। গ্রাহকদের দাবি, সরকারি নিয়মে এই ধরনের সামগ্রী কেনা বাধ্যতামূলক নয়, তা সত্ত্বেও এজেন্সি জোর করে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় ডেলিভারি বয়দের বেআইনিভাবে দশ থেকে কুড়ি টাকা বেশি নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। তবে গ্রাহকদের তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্যাস এজেন্স কর্তৃপক্ষ। তাদের বক্তব্য, পাইপ বা ফায়ার এক্সটিংগুইশার কেনা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রাহকদের কাছে শুধু আবেদন জানানো হয়েছে।

কেয়া মণ্ডল চৌধুরী

আমার শিকড় ঘাটালে, আর আমার লেখার মূল বিষয় এখানকার সাধারণ মানুষ। তাঁদের জীবনের না-বলা কথাগুলো সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া এলাকার যেকোনো খবর জানাতে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৮৯০০০২০০০১ নম্বরে।