তৃপ্তি পাল কর্মকার, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল:আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’-এর যৌথ সমীক্ষায় বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় টানা ছ’বার স্থান পেলেন দাসপুরের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা জিতেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে শুধু দাসপুর বা ঘাটাল নয়, গোটা রাজ্য গর্বিত।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বিদ্যুৎকুমার রায়ের পুত্র জিতেন্দ্রনাথের শিক্ষাজীবনের শুরু গ্রামেই। খানজাপুর ইউনিয়ন হাইস্কুল ও ঘাটাল বিদ্যাসাগর হাইস্কুল থেকে স্কুলজীবন শেষ করে তিনি মেদিনীপুর কলেজ থেকে স্নাতক হন। পরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক। তাঁর ১২৫টিরও বেশি গবেষণাপত্র ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় দুই লক্ষ তিরিশ হাজার গবেষকের সাইটেশন ইমপ্যাক্ট, এইচ-ইনডেক্স সহ একাধিক জটিল সূচক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক মেধা তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
জিতেন্দ্রনাথবাবুর গবেষণার মূল বিষয় হল আলোর সাহায্যে কম্পিউটিং এবং আইআর (ইনফ্রারেড) সেন্সর নির্মাণ। সাধারণ তাপমাত্রায় ব্যবহারযোগ্য, সহজে বহনযোগ্য ও স্বল্প খরচের এই দেশীয় সেন্সর রাতের অন্ধকারে নজরদারি, বিষাক্ত গ্যাস লিক শনাক্তকরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের উৎস খুঁজতে সক্ষম। আসানসোল-রানিগঞ্জের বিস্তীর্ণ কয়লাখনি অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ গ্যাস বা আগুন দ্রুত শনাক্ত করে বিপর্যয় মোকাবিলায় তাঁর এই উন্নত প্রযুক্তির গবেষণা অত্যন্ত কার্যকর দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘরের ছেলের এই যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে বর্তমানে খুশির হাওয়া গোটা মহকুমা জুড়ে। ঘাটাল মহকুমার…
দাসপুরের ভূমিপুত্র বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায়








