একজন মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালেই যান। কারণ সেখানেই তাঁর শেষ ভরসা। কিন্তু সেই হাসপাতাল থেকেই যদি কেউ জীবনের বড় ক্ষতি নিয়ে বাড়ি ফেরেন, তাহলে প্রশ্ন তো উঠবেই!
নাড়াজোলের গৃহবধূ পুতুল দোলইয়ের ঘটনাও ঠিক তেমনই। পরিবারের অভিযোগ, পেটে ব্যথা ও বমির চিকিৎসার পর তাঁর হাতে সমস্যা শুরু হয়। পরে সেই হাতই কনুই থেকে কেটে বাদ দিতে হয়েছে। অভিযোগ কতটা সত্য, তা তদন্তেই জানা যাবে। তাই আগে থেকেই কাউকে দোষী বলা ঠিক নয়। কিন্তু এত বড় ঘটনার পর শুধু অভিযোগ নথিভুক্ত করেই দায় শেষ হতে পারে না।
এখন দরকার প্রতিটি চিকিৎসার নথি খতিয়ে দেখা। কী ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, কীভাবে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল, রোগীর আগে থেকে কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কি না, সবকিছুরই নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ সত্য চাপা পড়ে গেলে শুধু একটি পরিবার নয়, মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়ে যাবে।
আজ একটি দরিদ্র পরিবার শুধু একটি হাত হারায়নি, হারিয়েছে তাদের রোজগারের ভরসাও। তাই এই ঘটনার বিচার শুধু একজনের জন্য নয়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে ,তার জন্যও জরুরি। সত্য যাই হোক, তা মানুষের সামনে আসুক। মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর আস্থা ফিরে আসুক। দায় কার, তার উত্তর দিক তদন্ত।