দাসপুরের এক প্রধান শিক্ষক ৫ মাস পর পুলিশ নিয়ে স্কুলে ঢুকলেন

তৃপ্তি পাল কর্মকার: প্রায় পাঁচ মাস পরে   অবশেষে পুলিশ নিয়ে দাসপুরের এক প্রধান শিক্ষক স্কুলে ঢুকতে পারলেন। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আজ ৩১ অক্টোবর দাসপুর থানার ওসি সুদীপ ঘোষাল বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে  দাসপুর-২ ব্লকের জোতঘনশ্যাম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নির্মল দাস কর্মকারকে স্কুলে ঢোকানোর ব্যবস্থা করেন। নিজের স্কুলের ছাত্রদের প্রতারণা  করার অভিযোগে কিছু স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক এবং স্কুল ছাত্ররা  নির্মলবাবুকে ১০ জুন স্কুল থেকে বার করে দেন। তাঁদের অভিযোগ, নির্মলবাবু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ৪৫ জন  উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর প্রোজেক্টের নম্বর কমিয়ে দিয়েছিলেন।    প্রোজেক্টের খাতায় গড়ে ন্যূনতম  ৯০ করে পাওয়ার কথা সেখানে কারও ৪০, কারোর ৫০, কারোর বা ৬০ নম্বর করে এসেছে। উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় ৪০থেকে৫০ অর্থাৎ ৮থেকে১০শতাংশ করে নম্বর কম আসায় এবারে ওই স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা বহু ছাত্রছাত্রী ভালো ভালো কলেজে অনার্স পড়ার সুযোগ পায়নি। নম্বর কমানোর  বিষয়টি প্রধান শিক্ষক অন-ক্যামেরায় স্বীকারও করেছিলেন।স্কুলে না ঢুকতে পারায় প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই রায়ের প্রেক্ষিতে তাঁকে পুলিশ প্রোটেকশন দিয়ে আজ স্কুলে যোগদান করার ব্যবস্থা করা হয়। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, আজ স্কুলে হাজিরা খাতায় সই করেছি। সমস্ত কাজও করেছি। কোনও সমস্যা হয়নি।

তবে আজকের যোগদান নিয়ে এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছিল।  প্রাক্তন কিছু ছাত্র নির্মলবাবুকে স্কুলে স্থান না দেওয়ার দাবিতে পোস্টারও করেন।

ঘাটাল মহকুমার সমস্ত আপডেট তে যুক্ত হন আমাদের সাথে!