নিজস্ব সংবাদদাতা:দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় তাকে মানসিকভাবে চাপ দেওয়ার অভিযোগে প্রায় ছ’মাস পর এক হাইস্কুল শিক্ষককে গ্রেফতার করল দাসপুর থানার পুলিশ। ধৃত শিক্ষকের নাম গৌতম সিনহা। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের সিদ্ধার বাসিন্দা এবং দাসপুরের বাসুদেবপুর হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক। রবিবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম শ্রেয়া হাইত বয়স ১৫। ওই স্কুলে সে দশম শ্রেণিতে পড়ত। গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে খাটবাড়ুই গ্রামে নিজের ঘর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি শ্রেয়ার বাবা বিশ্বজিৎ হাইত থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার আগের রাতে ওই শিক্ষকের সঙ্গে শ্রেয়ার দীর্ঘক্ষণ কথা ও চ্যাট হয়েছিল। রাত ২টা ৩৫ মিনিট থেকে ৩টা ১২ মিনিটের মধ্যে শিক্ষকের নম্বর থেকে পরপর আটটি হোয়াটসঅ্যাপ কল যায় ছাত্রীর ফোনে। ফোনে শিক্ষকের একটি লক করা চ্যাট বক্স এবং কিছু মেসেজ মুছে ফেলার তথ্যও পাওয়া যায়। এছাড়া, শ্রেয়ার ইমেল অ্যাকাউন্টের রিকভারি নম্বর হিসেবে শিক্ষকের ফোন নম্বর যুক্ত ছিল বলেও তদন্তে উঠে আসে। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর পুলিশকে খবর দেওয়া এবং ছাত্রীর ফোন পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে চাপ দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক গ্রেফতার হওয়ায় খুশি শ্রেয়ার পরিবার। পরিবারের আশা, তদন্তে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে এবং তাঁরা ন্যায়বিচার পাবেন।
ছাত্রীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ, ৬ মাস পর শিক্ষক গ্রেফতার





