ঘাটাল পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাটমানি তোলার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা:তূণমূলের প্রশ্রয়েই নাকি আর্শীবাদ রেস্তরাঁর মালিক শীলাবতী নদী বাঁধের নিচে সুড়ঙ্গ বানিয়ে নির্মাণকাজ চালাচ্ছিলেন।  সেই অভিযোগেই ঘাটাল পুরসভার চেয়ারম্যান বিভাস ঘোষের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার পোস্টার দেওয়া হল। ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের কলেজ মোড়ে কয়েকটি গুমটির দেওয়ালে বিজেপির পক্ষ থেকে ওই পোস্টার সাঁটানো হয়।   বিজেপির ঘাটাল লোকসভা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক রামকুমার দে বলেন,    আমরা নিশ্চিত  চেয়ারম্যান কার্তিক মাইতি নামে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়ে শিলাবতী নদী পাড়ের নিচে সুড়ঙ্গ করে একটি গোপন রুম বানানোর সুযোগ দিয়েছিলেন। যার ফলে বাঁধটি খুব বিপজ্জনক হয়ে পড়েছিল। ভরা নদীতে ওখানের বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বিপদ হতে পারে দাসপুর ও ঘাটাল থানার বিস্তীর্ণ এলাকার।   এবিষয়ে চেয়ারম্যান বিভাসচন্দ্র ঘোষ বলেন, তিনি কারোর কাছ থেকেই টাকা খাননি। বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজটি করেছে।  প্রসঙ্গত, ঘাটাল শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে শিলাবতী নদী বাঁধের নিচে সুরঙ্গ করে  নির্মাণের কাজ চালাচ্ছিলেন ওই রেস্তরাঁর মালিক। ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায়  তা জানাজানি হওয়ায় শহরের কুশপাতা ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের  এলাকার বাসিন্দারা রেস্টুরেন্টে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। ক্ষিপ্ত জনতা রেস্টুরেন্টে ভাঙচুরও করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী যায়। রাতেই পুলিশের সামনে জনতার দাবিতে রেস্তরাঁটি বন্ধ করে দিতে হয়। পুলিশ রেস্টুরেন্টের কয়েকজন কর্মীকে থানায় তুলে নিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর থেকেই সারা শহরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। কারণ, যে ভাবে নির্মাণটি করা হয়েছিল তার ফলে  বন্যার সময় নদীবাঁধ ভেঙে ঘাটাল ও দাসপুর এলাকা প্লাবিত হতে যেতে পারে। সেই আশঙ্কা এখনও কাটেনি।