বিয়ের দেড় মাসের মধ্যেই গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু

মন্দিরা মাজি, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: দাসপুর থানার হোসেনপুরে গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু। মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে মেয়ের মৃতদেহ ঘিরে মেয়ের বাপের বাড়ির পরিবার ও গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালো। ওই গৃহবধূর নাম মনিকা বেরা ঘোড়ই (২২) স্বামীর নাম দীপঙ্কর ঘোড়ই। মেয়ের বাবার নাম হেমন্ত বেরা, বাড়ি দাসপুর থানার যদুপুরে। গ্রামের মেয়ের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবরে আজ ১৯ জুলাই সোমবারের সকালে হোসেনপুরে মেয়ের বাড়িতে চড়াও হয় যদুপুরের শতাধিক গ্রামবাসী।

এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ,তাঁদের মেয়েকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে এদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত দাসপুর থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে। দাসপুর থানার পুলিশ আজ সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে গেলে মৃতের পরিবার ও গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। প্রায় ঘন্টা খানেক দেহ আটকে রাখে তাঁরা। পরে দাসপুর পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ওই পরিবারের সাথে বারে বারে কথা বলেন এবং তাঁদের যাবতীয় অভিযোগ লিখিতে আকারে দিতে বলেন এবং আশ্বাস দেন অভিযোগের ভিত্তিতে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টির নিয়মমত সঠিক ভাবেই তদন্ত হবে। এরপর ওই গৃহবধূর দেহ নিয়ে যায় পুলিশ। মাত্র দেড় মাস হল বিয়ে হয়েছে মনিকা ও দীপঙ্করের। তার মধ্যেই এই ঘটনা। মনিকার বাপের বাড়ির তরফে সুশান্ত বেরা বলেন, রবিবার রাতে ফোন মারফত জানানো হয় মেয়ে অসুস্থ। রাতে এসেই আমরা দেখি মেয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শোবারে ঘরে নাকি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর আজ সকাল থেকেই মৃতের পরিবারের লোকজন এসে চড়াও হয় শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। তবে ঘটনার পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক।

 

ঘাটাল মহকুমার সমস্ত আপডেট তে যুক্ত হন আমাদের সাথে!