কোলে বসে জড়িয়ে ধরছে ছাত্রছাত্রীদের,হনুমানের তাণ্ডবে আতঙ্কে দাসপুরের দুই স্কুল

সৌমেন মিশ্র ও বাবলু মান্না, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: ক্লাস ভর্তি ছাত্রছাত্রীদের মাঝে এসে বসা, কখনও ছাত্রছাত্রীদের একেবারে কোলে। আবার কখনও শিক্ষকের জামা ধরে টানাটানি, মিড ডে মিল  [‘স্থানীয় সংবাদ’-এর সমস্ত কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন] খাওয়ার সময় ছাত্রছাত্রীদের পাতে গিয়ে বসে যাওয়া। খেলার মাঠে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে ঢুকে তাদের জড়িয়ে ধরা। লাগাতার দুই হনুমানের এমন কাণ্ডে রীতিমতো আতঙ্কিত দাসপুরের দুই স্কুল। হনুমানের ভয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী আজকাল স্কুলে আসতেই ভয় পাচ্ছে। পড়ায় মন বসছে না। অভিভাবকদেরও ভরসা হচ্ছে না স্কুলে পাঠানোর। ঘটনা দাসপুর থানার দরি অযোধ্যা গ্রামের। গ্রামের দরি অযোধ্যা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দরি অযোধ্যা কে সি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ তাদের বিদ্যালয়ে লাগাতার দুই হনুমান তাণ্ডব চালাচ্ছে। আর তাতেই আতঙ্কিত দুই বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রছাত্রী। দরি অযোধ্যা কে সি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, ক্লাস চলার সময় জানালা বা দরজা দিয়ে দুই হনুমান ক্লাসের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। হনুমানের ভয়ে পড়ুয়ারা এদিক ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে দিচ্ছে। স্কুলে যাতায়াত, মিড ডে মিল খাওয়া বা খেলার মাঠেও হঠাৎ করে ওই দুই হনুমান হানা দিচ্ছে। যে কোনও মূহুর্তে বড়সড় অঘটন ঘটে যেতে পারে। অন্যদিকে ওই বিদ্যালয়ের পাশেই থাকা দরি অযোধ্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা বা ছাত্রছাত্রীদেরও একই অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মাঝে মধ্যেই ওই দুই হনুমান ক্ষুদে পড়ুয়াদের জড়িয়ে ধরছে বসে থাকছে তাদের কোলে, তাদের চুল ধরে টানছে। বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ুয়াদের উপর দুই হনুমানের এমন উপদ্রব থেকে রেহাই পেতে বনদপ্তর থেকে প্রশাসনের কাছে কাতর আকুতি রেখেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে পড়ুয়ারা। এনিয়ে ঘাটাল মহকুমা সোশ্যাল ফরেস্ট্রির রেঞ্জার অসিতবরণ মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ভাবে স্কুলে কোনও হনুমান উপদ্রব চালাচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর নেই। বিষয়টি বনদপ্তরের কর্মীদের পাঠিয়ে খোঁজ নিচ্ছি।

ঘাটাল মহকুমার সমস্ত আপডেট তে যুক্ত হন আমাদের সাথে!