গেঁড়িবুড়ি ইতিকথা,সাথে ভিডিও

দাসপুর-১ব্লকের বলিহারপুরে চলছে গেঁড়িবুড়ির মেলা ৷ এই মেলাটি গেঁড়িবুড়ির মেলা নামে লোকমুখে পরিচিতি থাকলেও মেলাটি আসলে ধর্মরাজের মেলা ৷ প্রায় ৪০০ বছর আগের তৈরী পুরানো এই মন্দিরে রয়েছে ধর্মরাজের পাশাপাশি দেবী দুর্গা(যার প্রচলিত নাম গেঁড়িবুড়ি ), মা শীতলা ,মনসা ,পঞ্চানন্দ , মঙ্গলচণ্ডী ,ও অন্যান্য দেবতার নামাঙ্কিত আঠারোটি শিলা ৷ কথিত আছে সকল দেব দেবীকেই স্বপ্নাদেশে পাশেই মজুমদারের দিঘিতে (বর্তমানে যে এলাকাটি শহীদ ক্ষুদিরামের ডাক লুন্ঠনের পীঠস্থান ওই দিঘিতে ৷)পাওয়া গিয়েছিল এবং একটি প্রদীপও ৷ দিঘির মধ্য থেকে পাওয়া প্রতিটি মূর্তি , শিলাখণ্ড ও প্রদীপটিতে গেঁড়িতে ভর্তি ছিল , আর সেই থেকেই এই মন্দিরের দেব দেবীর নাম গেঁড়িবুড়ি ৷ আমাদের রাজ্যর সঙ্গে সঙ্গে ভিন রাজ্যেও এই গেঁড়িবুড়ি বা ধর্মরাজের মেলার খ্যাতি রয়েছে ৷আট বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের বিছানায় প্রশ্রাব ও যে সব বাচ্ছারা কথা বলতে পারেনা , ছুলি রোগ ইত্যাদি এই ধর্মরাজের কাছে মানত করলে সেরে যায় ৷এছাড়া সরাসরি মন্দির থেকে ঔষধও দেওয়া হয় ৷যে কোনো মঙ্গল ও শনিবার (একাদশী ও অমাবস্যা বাদ) আগের দিন নিরামিষ করে আসতে হয় ৷যে সব বাচ্ছারা কথা বলতে পারেনা তাদের জন্য ধর্মরাজের কাছে গোটা ওল মানত করতে হয় ৷ যে মেলার এত নাম যশ খ্যাতি , যে মেলার টানে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন প্রতিবছর ৷ সংস্কারের অভাবে বর্তমানে সেই মন্দিরটি ধুঁকছে ৷ অর্থের অভাবে মন্দিরটি সংস্কার করতে পারছেন না মুলত এই পুজোটি যাদের অর্থাৎ জয়দেব পণ্ডিত ,বাসুদেব পণ্ডিত ও শুকদেব পণ্ডিতরা ৷ তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন , যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তিরা মন্দিরটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন তো ভালো হয় ৷ গেঁড়িবুড়ির এই মেলাটি ৩০০বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে বলে জানালেন জয়দেব পণ্ডিত ও তাঁর ভাইয়েরা ৷


©সনাতন ধাড়া,সাংবাদিক(স্থানীয় সংবাদ)

ভিডিওটি পাঠিয়েছেন রাজেশ চৌধুরী।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Soumen Misra

তথ্যভিত্তিক সত্য, কথায় ও লেখায় প্রকাশ পাক।

✆+919932953367

Em@il:- soumenmisra.in@gmail.com


  • gplus

Leave a comment